লোগো ডিজাইনের সময় যেই পয়েন্টগুলো সম্পর্কে পর্যালোচনা করতে হয়। এগুলো ছাড়াও আজকে আরও কিছু বিষয় যোগ করছি।
- লোগো ডিজাইনের সময় যেই পয়েন্টগুলো সম্পর্কে পর্যালোচনা করতে হয় তার মধ্যে আগের পোস্ট এর পয়েন্টগুলো ছিল: ০১. ব্যবহারযোগ্যতা, ০২. শেপ, ০৩. টাইপফেস, ০৪. কালার, এবং ০৫. সরলতা। এগুলো ছাড়াও আজকে আরও কিছু বিষয় যোগ করছি।
০৬. সিম্বলিজম: একটি সিম্বল লোগো ডিজাইনে একটি স্টোরি দেয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্সিডিজ-বেঞ্জ লোগোটির ত্রি-পয়েন্ট স্টার চিহ্ন স্থল, সমুদ্র এবং আকাশপথ এই তিন ধরনের পরিবহন সেক্টরে তাদের আধিপত্য বুঝায়।
০৭. অরিজিনালিটি: লোগো অবশ্যই অরিজিনাল হওয়া উচিৎ। যাতে এটি তাদের কম্পিটিটর থেকে আলাদা করে এবং ইন্টারনেটে যে সমস্ত লোগো দেখা যায় তার মত হওয়া উচিৎ না। ট্রেন্ডের ফাদে পড়বেন না। লোগোটি আপনার ব্র্যান্ডের সাথে ফোকাস করা উচিৎ, কোন নির্দিষ্ট স্টাইল নয় যা আপনি নিজে লাইক করেন।
০৮. মেমোর্যাবিলিটি: যে লোগো মেমোর্যাবল না সেটি কোন স্ট্যান্ডার্ড লোগো না। সরলতা থাকবে এবং ব্র্যান্ডের একটা ইউনিক ডিটেইল থাকবে যাতে মানুষ এটিকে সব সময় মনে রাখে।
০৯. উপযোগিতা: ই-কমার্স এর জন্য লোগোতে একটি শপিং-কার্ট দিয়ে দিলেই কি যথেষ্ট? না। একটি ব্র্যান্ড কি করে তা শুধুমাত্র লোগোর মাধ্যমে বুঝাতে হবে না। তবে কিছু ব্র্যান্ডের লোগোতে এমন কিছু শেপ বা ম্যাসেজ দেয়া আছে যা আপনি ভালভাবে খেয়াল করলে বুঝবেন এবং এটা ইন্টারেস্টিংও মনে হবে। ছবিতে এমাজন এবং ফেডেক্স এর লোগো দুটি খোয়াল করুন। এমাজন এর নিচে একটি তীর চিহ্ণ আছে, যা A টু Z সবকিছু পাওয়া যায় এমন ম্যাসেজ দিয়েছে। আর ফেডেক্স একটি কুরিয়ার কোম্পানী, তারা E এবং X মাঝে ক্লেভারলি একটি তীর চিহ্ন দিয়েছে যার মাধ্যমে তারা মুভমেন্ট বুঝায়।
১০. নান্দনিকতা: আপনি যদি উপরের সবগুলো স্টেপ ফলো করেন, তারপরেও আপনাকে এটা এনসিওর করতে হবে লোগোটি যেন দেখতে খারাপ না দেখায়। ফন্ট চয়েজ, কালার শেড, ডিজাইন কোয়ালিটি এই সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হবে।
#tuhinmotiur #iamtuhinmotiur #tuhinmotiurofficial #tuhinmotiur_dot_com
© Naim Zaman ভাই
Founder at Interior Design Bangladesh


1 comment
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
Post a Comment